রূপচর্চায় মুলতানি মাটির ব্যবহার

Share

প্রাচীনকাল থেকে সৌন্দর্য বাড়াতে  মুলতানি মাটির ব্যবহার হয়ে আসছে। এই মাটি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা প্রাকৃতিকভাবে দূর করে ত্বককে ভিতর থেকে সুন্দর করে তোলে। এটি জাদুর মাটি নামেও পরিচিত অনেক জায়গায় অনেকের কাছে। মুলতানি মাটির ব্যবহার ত্বককে উজ্জ্বল করার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে। ত্বকের যত্নের পাশাপাশি এটি চুলের যত্নেও সমানভাবে কার্যকরী। এই মাটির ব্যবহারে ত্বককে উজ্জ্বল করার পাশাপাশি ত্বকের কোষ পুনর্গঠন করতে সাহায্য করে। এতে শক্তিশালী ক্লিঞ্জিং, ব্লিচিং ও তেল শোষণকারী উপাদান থাকে যা ত্বককে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করে। 

বাসায় বসেও সৌন্দর্যচর্চা ও রূপচর্চার জন্য মুলতানি মাটির জুড়ি নেই। এটি ত্বকের মৃতকোষ তুলে ফেলতে সহায়তা করে, উত্তম এক্সফোলিয়েটর হিসেবে কাজ করে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে, ব্রণ দূর করে এবং শুষ্ক ত্বকের মসৃণতাও বৃদ্ধি করে। 

মুলতানি মাটির আরো অনেক গুণাগুণ ও ব্যবহার করার উপায় –

১) এক্সফোলিয়েট

এক্সফোলিয়েটর হিসেবে মুলতানি মাটি বেশ উপকারী এবং কার্যকরি। এটি ব্যবহার করতে এক টেবিল চামচ মুলতানি মাটি এবং এক টেবিল চামচ গোলাপ জল লাগবে। মুলতানি মাটি ও গোলাপজল একসাথে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। প্রথমে ভালো করে মুখ ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। পেস্টটি চোখের চারপাশে বাদে পুরো মুখে লাগান এবং আলতো করে ম্যাসাজ করুন। এভাবে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতি সপ্তাহে দুই তিনবার ম্যাসাজ করলে ভালো ফলাফল পাবেন।

২) অতিরিক্ত তৈলাক্ততা  রোধ

মুলতানি মাটি শুধু যে ত্বক উজ্জ্বল করে তা নয়, তৈলাক্ত ত্বককে অতিরিক্ত তেল উৎপন্ন হওয়া থেকে বাঁচায়। ত্বকে অতিরিক্ত তেল উৎপন্ন হলে ত্বকের সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যায়, ব্রণ সৃষ্টি হয়। সঠিক উপায়ে মুলতানি মাটির ব্যবহার করলে তৈলাক্ততা রোধ করা সম্ভব।

প্যাকটি তৈরির জন্য প্রয়োজন এক টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, দেড় চা চামচ গোলাপজল দুটো উপাদান একত্রে মিশিয়ে মুখে লাগান। তবে লক্ষ্য রাখবেন, চোখের চারপাশে যেন না লাগে। কেননা চোখের চারপাশের ত্বক খুব নরম।প্যাকটি লাগিয়ে পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে তোয়ালে ভিজিয়ে প্যাক তুলে ফেলুন। তারপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন ভালো করে। প্রতি সপ্তাহে এক দুই বার এটি ব্যবহার করবেন। ভালো ফল পাবেন।

৩) শুষ্ক ত্বকের জন্য 

মুলতানি মাটি শুষ্ক ত্বকের জন্য উপকারী। অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বকের সমাধানের জন্য একটি প্যাক ব্যবহার করতে হবে। এই ফেসপ্যাক তৈরির জন্য এক টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, পরিমাণমতো দই লাগবে। একটি পাত্রে দই, মুলতানি মাটি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি চোখের চারপাশ ব্যতীত পুরো মুখে লাগান। পনেরো মিনিট অপেক্ষা করে ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে, কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে এক দুইবার ব্যবহার করলে মনের মতো ফলাফল পাবেন।

অথবা

তিনটি কাজু বাদাম সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খোসা ছাড়িয়ে বাদামগুলো পিষে নিন। এর সঙ্গে সামান্য মুলতানি মাটি ও সামান্য পরিমাণ দুধ মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। তারপর ব্যবহার করুন। শুষ্ক ও নিস্তেজ ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনবে এই প্যাকটি। 

৪) ব্রণ দূরীকরণ

আবহাওয়া, ধুলোবালি ইত্যাদির কারণে নারী -পুরুষ সকলের  ব্রণ  হয়। ব্রণ থেকে বাঁচতে কোনো বাড়তি খরচ ছাড়া ঘরে বসে মুলতানি মাটির ব্যবহার করতে পারেন। মুলতানি মাটি ত্বকে পুষ্টি যোগায় এবং ত্বকের তৈলাক্ততা অপসারণ করে। যার ফলে ত্বক সুস্থ থাকে। ব্রণ দূর করতে হলে এক টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, এক চামুচ নিম পাতার গুঁড়া, দুই চা চামচ গোলাপ জল, চার পাঁচ ফোঁটা লেবুর রস  এসব উপাদানের মিশ্রণে প্যাকটি প্রস্তুত করে নিন। ভালো করে পুরো মুখ ধুয়ে নিন। তোয়ালে দিয়ে মুছে প্যাক লাগান। চোখ ব্যতীত সারা মুখে প্যাক লাগিয়ে পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন এবং শুকিয়ে গেলে ভেজা তোয়ালে দিয়ে প্যাকটি হালকা করুন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে এক দুইবার ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

৫) দাগ দূরীকরণ 

একটি ছোট পাকা টমেটোর সঙ্গে দুই টেবিল চামচ মুলতানি মাটি ও এক টেবিল চামচ বেসন ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।  বেসন ত্বক পরিষ্কার করে এবং ত্বকের উপরিভাগের লুকানো ময়লা বের করে। টমেটো ত্বকের দাগ দূর করতে সাহায্য করে। 

৬) ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি

যদি ত্বকের উজ্জ্বলতা দ্রুত বাড়াতে চান, তাহলে মুলতানি মাটি ব্যবহার করুন। সৌন্দর্য বর্ধনে এমাটির তুলনা হয়না এটি যে শুধু ত্বকের মরাকোষ তুলতে সাহায্য করবে তা নয়, ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল করবে।

একটি পাত্রে এক টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, এক টেবিল চামচ টমেটোর রস, এক চা চামচ চন্দনের গুঁড়া,  এক চতুর্থাংশ হলুদের গুঁড়া  এই সবগুলো উপাদান একত্রে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। প্রথমে ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর পেস্টটি পুরো মুখে লাগান। ইচ্ছে হলে গলায়ও লাগাতে পারেন। অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, চোখের চারপাশে যেন পেস্ট না লাগে। পুরো প্যাক লাগিয়ে পনেরো বিশ মিনিট অপেক্ষা করুন এবং শুকিয়ে গেলে তোয়ালে ভিজিয়ে আলতো করে মুছে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে এক দুই বার ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন।

এছাড়াও অনেকেরই একটা কমন সমস্যা হল যে হাত পায়ের রঙ মুখের রঙ থেকে কালো হয়। এই সমস্যা সমাধানে পরিমাণ মত মুলতানি মাটি, বেসন এবং কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার এই মিশ্রণটি হাত পায়ে ভালো মত লাগিয়ে ২০-৩০ মিনিট বা শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এবং এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন গোসলের আগে এটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি হাত পায়ের ত্বক উজ্জ্বল এবং নরম করে।

৭) বার্ধক্যের ছাপ রোধ

ত্বককে বার্ধক্যেরর ছাপ থেকে রক্ষা করতে একটি পরিষ্কার পাত্রে  দুই চামুচ মুলতানি মাটির সঙ্গে এক টেবিল চামচ টক দই, একটি ডিমের সাদা অংশ এবং এক টেবিল চামুচ কর্ণফ্লাওয়ার ভালোভাবে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে এই মিশ্রণটি দুই স্তরে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।  এই প্যাকটি ব্যবহারে ত্বক টানটান করে স্কিন টোন সমান করতেও সহযোগীতা করে।

এই মুলতানি মাটি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা প্রাকৃতিকভাবে দূর করে ত্বককে ভিতর থেকে সুন্দর করে তোলে। মুলতানি মাটির ব্যবহার ত্বককে উজ্জ্বল করার সাথে সাথে ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে। এছাড়াও ত্বকের যত্নে আরও অনেক ভাবে সঠিক পদ্ধতি অবলম্বনে মুলতানি মাটি ব্যবহারে পেয়ে যাবেন সাস্খসম্মত এবং দাগহীন উজ্জ্বল ত্বক।

 

চুলের যত্নে মুলতানি মাটির ব্যবহার

ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে আদিকাল থেকেই। এমনকি এটি ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্নেও এটি অতুলনীয়। চুলের যত্নেও যে মুলতানি মাটির ব্যবহার করা যায় তা বোধহয় অনেকেরই জানা নেই। এই মাটি ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ করার পাশাপাশি বিবর্ণ চুল ঝলমলে করে মুলতানি মাটি। তবে তার জন্য কিছু সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন কর

১) প্রাকৃতিক ভাবে সোজা চুল 

প্রাকৃতিক ভাবে সোজা চুল পেতে মুলতানি মাটির অতুলনীয় অবদান রয়েছে। সেটি করতে  একটি পাত্রে পরিমানমতো  মুলতানি মাটির সাথে চালের গুঁড়া এবং একটি ডিমের সাদা অংশ ভালো মত মেশান। প্রয়োজনে একটু পানি দিন পেস্ট তৈরি করার জন্য। এবার এই মিশ্রণটি চুলের গোঁড়ায় এবং চুলে ভালো মত লাগান এবং লাগানোর সময় একটি মোটা চিরুনি দিয়ে চুল নীচের দিকে আঁচড়াতে থাকুন। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এবং এরপর শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে চুল সিল্কি এবং সোজা হবে।

২) চুল পড়া বন্ধ রোধ

পরিমানমতো  মুলতানি মাটির সঙ্গে ২ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়া ও দই মেশান। সব উপকরণ আলো করে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে চুল পড়া বন্ধ হবে।

৩) শুষ্ক চুলের জন্য

শুষ্ক চুলের জন্য পরিমানমতো মুলতানি মাটির সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল, ১ চা চামচ লেববুর রস ও কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মেশান। মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৪) তৈলাক্ত চুলের জন্য

পরিমান মত মুলতানি মাটি ও বেসনের সঙ্গে  টি ট্রি অয়েল মেশান। মিশ্রণটি চুলে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন পানি দিয়ে। এটি চুলের অতিরিক্ত তেল দূর করবে। 

৫) আগা ফাটা রোধ

চুলের আগা ফাটা রোধ করতে পানিতে গ্রিন টি ফুটিয়ে নিন ১৫ মিনিট। ঠাণ্ডা হলে মুলতানি মাটির সঙ্গে চায়ের লিকার মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মধু মিশিয়ে ভালো করে নেড়ে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত লাগান। আধা ঘণ্টা পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৬) চুল বৃদ্ধিতে

চুলের বৃদ্ধির জন্য অ্যালো ভেরা, লেবুর রস ও মুলতানি মাটি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। চুলে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহারে দিন দিন চুল বৃদ্ধি পাবে।

৭) খুঁশকি দূরীকরণ 

খুশকির সমস্যা দূর করতে এক টেবিল-চামচ মেথি-গুঁড়া রাতে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। মেথি পেস্ট করে তাতে পাঁচ টেবিল-চামচ মুলতানি মাটি ও এক চা-চামচ লেবুর রস মেশান। প্রয়োজন হলে এতে পানি মিশিয়ে নিতে পারেন। মাথার ত্বকে এই পেস্ট লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে নিন।

৮) চুলে কন্ডিশনিং

চুল কন্ডিশনিং করতে কুসুম গরম তিলের তেল অথবা নারকেল তেল কুসুম গরম করে মাথার ত্বক মালিশ করুন। এক ঘণ্টা পর মুলতানি মাটি ও পানির তৈরি পেস্ট মাথার ত্বক ও চুলে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে চুল পরিষ্কার করে নিন।

ত্বকের যত্নের পাশাপাশি এটি চুলের যত্নেও সমানভাবে কার্যকরী। চুলের প্যাক হিসাবে মুলতানি মাটি কিন্তু খুবই কার্যকরী। ত্বকে এবং চুলের যত্নে এর তুলনা অতুলনীয়।

চুলের ও ত্বকের যত্নের আরও তথ্য পেতে ঘুরে আশুন আমাদের কারনেসিয়া ব্লগ থেকে।

 

 

লেখকঃ জাহান জিনাত ( বিউটি এক্সপার্ট কারনেসিয়া )

তথ্য ও ছবিঃ গুগোল

Leave a Comment

Recent Posts

বডি শপ সিউইড ক্লিনিজিং জেল ওয়াশ(The Body Shop Seaweed Cleansing Gel Wash)

আপনার ত্বক যে টাইপেরই হোক না কেন, তা আপনার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই সবাই-ই চায় সুন্দর ও হেলদি স্কিন যা… Read More

2 years ago

বডি শপ ভিটামিন ই ক্রিম ক্লিনজার(The Body Shop Vitamin E Cream Cleanser)

বডি শপ ভিটামিন ই ক্রিম ক্লিনজার(The Body Shop Vitamin E Cream Cleanser) হলো একটি ফেসিয়াল ক্রিম ক্লিনজার যা আপনার মুখের… Read More

2 years ago

নিউট্রোজিনা ভিজিবিলি ক্লিয়ার পিঙ্ক গ্রেপফ্রুট ফেসিয়াল ওয়াশ(Neutrogena Visibly Clear Pink Grapefruit Facial Wash)

যদি এমন হয় আপনার ত্বক আগের থেকে আরও সুন্দর ও গোলাপি আভা দিচ্ছে? এখন আপনিও পেতে পারেন আকর্ষণীয় ত্বক৷ নিউট্রোজিনা… Read More

2 years ago

দি বডি শপ অ্যালো কালমিং ফোমিং ওয়াশ(The Body Shop Aloe Calming Foaming Wash)

আপনার সংবেদনশীল ত্বকের জন্য আপনি অবশ্যই ভালো এবং স্কিন টাইপ অনুযায়ী ফেইস ওয়াশ কেনা উচিৎ। কেননা যে কোনো কিছু আপনার… Read More

2 years ago

টি ট্রি 3-ইন-1 ওয়াশ স্ক্রাব মাস্কটি(The Body Shop Tea Tree 3-In-1 Wash Scrub Mask)

টি ট্রি 3-ইন-1 ওয়াশ স্ক্রাব মাস্কটি(The Body Shop Tea Tree 3-In-1 Wash Scrub Mask) সব দিকেই দক্ষ। এটি মুখের ধোয়া… Read More

2 years ago

সুপারড্রাগ ভিটামিন সি ফেসিয়াল ক্লিনজার 150 মিলি(Superdrug Vitamin C Facial Cleanser 150ml)

আমরা সকলেই জানি ভিটামিন-সি মুখের ক্লিনজার হিসেবে অনেক বেশি কার্যকর। আর তা যদি হয় প্রাকিতিক উপাদানে ভরপুর তাহলে তো আর… Read More

2 years ago

This website uses cookies.