Type of makeup brush. Find out what makeup brushes to use.

ব্রাশ মেকাপের অবিচ্ছেদ্য একটা অংশ। আপনার সবধরনের মেকাপ আইটেম থেকেও কিছু হবে না যদি ব্রাশ না থাকে। মেকাপ করা একটা আর্ট। আর এই আর্ট কখনোও সুন্দরভাবে ফুটে উঠবে না যদি আপনি না জানেন কোন ব্রাশ কোথায় ব্যবহার করবেন,কেন ব্যবহার করবেন। 

তাই একটা গ্ল্যাম, পারফেক্ট লুকের জন্য অবশ্যই  জানতে হবে কোন ব্রাশ দিয়ে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন,কোন টা দিয়ে কন্টোরিং খুঁটিনাটি সব। 

চলুন জানা যাক তাহলে মেকআপ ব্রাশ সম্পর্কে।

★★ ফেস মেকাপ ব্রাশ 

১) ফাউন্ডেশন ব্রাশ : মেকআপের ক্ষেত্রে ফাউন্ডেশন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রোডাক্ট যা মেকআপের বেস তৈরি করার জন্য প্রয়োজন। ফাউন্ডেশন লিকুইডও হয়, ক্রিম বেসডও হয়। ফাউন্ডেশন লাগানোর জন্য এমন ব্রাশ প্রয়োজন যাতে কোনো রকম অতিরিক্ত লাইন না দেখা যায় আপনার মুখে। আপনি যদি দু’রকম ফাউন্ডেশনের জন্যই একটা ব্রাশ খোঁজেন, তা হলে Real Technique  এর ফাউন্ডেশন ব্রাশ কিনতে পারেন। 

এছাড়াও ফাউন্ডেশন ব্লেন্ডের জন্য মেকাপ স্পঞ্জ ব্যবহার করতে পারেন। 

২) কন্সিলার ব্রাশ : ফাউন্ডেশনের পরেই আসে কন্সিলার।  

কনসিলারের কাজ খুবই সূক্ষ্ম হয়। তাই কনসিলার ব্যবহারের ব্রাশটিও সূক্ষ্ম হয়ে থাকে।

৩) পাউডার ব্রাশ : ফাউন্ডেশন বা কাবুকি ব্রাশের চেয়ে অপেক্ষাকৃত একটু বেশি ঘন ফাইবার বা উল দিয়ে পাউডার ব্রাশ তৈরি করা হয়।

ব্রাশের সাহায্যে আপনি যতটুকু পাউডার মেখে উঠাতে চাইছেন তা যেন পরিমাণ ঠিক রাখে সেজন্যই এই ব্রাশ একটু ঘন ফাইবার দিয়ে তৈরি করা হয়।

ব্যানানা লুজ পাউডার বা অন্য যে কোনো লুজ পাউডার যা আপনার ত্বককে উজ্জ্বলতা দেয়, তার জন্য এই ব্রাশ ব্যবহৃত হয়।

৪) কন্টোরিং / ব্রোঞ্জিং ব্রাশ : আমাদের কান বরাবর চোয়ালের দিকে অংশটাই আমাদের কন্টোরিং / ব্রোঞ্জিং পয়েন্ট।  যেহেতু ঐ অংশটা সমান না তাই একটি এঙ্গেল ব্রাশ দিয়ে কন্টোরিং / ব্রোঞ্জিং করুন। এতে ব্লেন্ডিং পারফেক্ট হবে।

৫) ব্লাশ অন ব্রাশ : আমাদের মধ্যে যাঁরা মেকআপ করতে ভালবাসেন, তাঁদের মধ্যে অনেকে ব্লাশ অন লাগান, আবার অনেকেই লাগান না। আবার এমনও অনেকে আছেন, যাঁরা ফাউন্ডেশন ব্রাশ দিয়েই ব্লাশ লাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন ফলে খারাপ দেখতে লাগে। ব্লাশ লাগানোর জন্য সব সময় ফ্ল্যাট ব্রাশ ব্যবহার করা উচিত। 

৬) হাইলাইটার ব্রাশ : হালকা এবং পাখা আকৃতির এই ব্রাশ দিয়ে আপনি হাইলাইটার ব্যবহার করতে পারেন। ফ্যান ব্রাশ বলে এইতাকে।

এবার চলুন চোখের সাজের দিকে নজর দিই 

★★চোখের সাজসজ্জায় ব্রাশ 

১) আই-ব্রো ব্রাশ : চোখের সাজকে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে আমাদের আই-ব্রো। তাই সঠিক ব্রাশের সাহায্য আই – ব্রো সেট করা গুরুত্বপূর্ণ।  

আই-ব্রো সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য আপনার প্রয়োজন পড়বে একপাশে চিরুনির মত স্পুলি  ও অন্য পাশে সরু লম্বা  ব্রিসল ব্রাশ। এতে করে আপনার ব্রো শেইপটা পারফেক্ট হবে। 

২) আইশ্যাডো ব্রাশ : চোখের পাতায় অপরূপ সৌন্দর্যের খেলা যেন সব নারীরই স্বপ্ন। তাই আইশ্যাডো ব্রাশেকে  বাড়তি বিবেচনা না করলে কি চলে?

আইশ্যাডো ব্যবহারের জন্য ব্রাশ সেটে কয়েকটি ব্রাশ আছে যেগুলো একটু মাঝারি ছোট হয়। বাংলাদেশে খুব সহজেই eyeshadow cheap brushes পাওয়া যায় । ঘরে বসে অথেনটিক আইশ্যাডো ব্রাশ পেতে এখনে ক্লিক করুন। 

যা আপনার চোখের সাজকে আরও সহজ এবং কম সময় সাপেক্ষ করে তুলবে।

৩) ব্লেন্ডিং ব্রাশ : এই ব্রাশের কাজ বোধ হয় মেকআপের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি দক্ষতার পরিচয় দেয়।

আজ হয়তো আপনার ইচ্ছা করলো স্মোকি আই এর জন্য পুরো কালো রং ব্যবহার না করে বরং একটু বাদামি, সবুজ বা নীলের আভা মেশাতে।

কিন্তু কালো রঙের পাশে এই রঙগুলো কি একটু বেশিই উজ্জ্বল হয়ে থাকবে না? এই দুটি রঙকে মিশিয়ে চোখের সাজকে অনন্য মাত্রা দিতে আপনাকে সাহায্য করবে একটি ব্লেন্ডিং ব্রাশ!একটু চওড়া ব্লেন্ডিং ব্রাশ নিতে হবে যা আপনার সাজকে করে তুলবে সুন্দর।  

৪) আইলাইনার ব্রাশ : ব্রাশের মধ্যে সবচেয়ে চিকন এবং কার্ভ করা ব্রাশটি আইলাইনার ব্যবহারের জন্য।

এটি নিয়ে বিশেষ ভাবে কিছু বলার নেই তবে আপনি সুন্দর আই লাইন তৈরী করতে এই ব্রাশটি মাস্ট। 

 

★★লিপ ব্রাশ 

লিপের জন্য আলাদা ভাবে ব্রাশ লাগে না তবে আপনি চাইলে লিপের সুন্দর শেইপের জন্য লিপ ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন। 

এই ব্রাশটির ফাইবার কম, পাতলা এবং চিকন হয়ে থাকে যার কারণে আপনি সহজেই আপনার ঠোঁটে কাঙ্ক্ষিত সাজ ফুটিয়ে তুলতে পারেন।

ব্রাশ ব্যাবহার এর পাশাপাশি এর উপযুক্ত যত্ন দরকার । মাসে অন্তত একবার ব্রাশ গুলো পরিষ্কার করা উচিত । ব্রাশ পরিষ্কার করার জন্য brush cleaner পাওয়া । যা দিয়ে খুব সহজেই আপনি আপনার ব্রাশ গুলোকে একদম নতুনের মত করে তুলতে পারবেন ।

NYX bangladesh

 

★★ সাজেশন  

ব্রাশের ক্ষেত্রে অবশ্যই ব্রাশের ফাইবার দেখে নিতে হবে। ফাইবার যতটা সফট হবে আপনার মেকাপও ততটা ফ্ল- লেস হয়ে উঠবে। 

Real technique এর ব্রাশ এবং ব্রাশ সেট গুলো বেস্ট।  আর এই ব্র্যান্ডের আরেকটি সুবিধা হলো ব্রাশের গায়ে লেখা থাকে কোনটা কিসের ব্রাশ। 

এছাড়াও একটু বাজেট  ফ্রেন্ডলি চাইলে wet n wild, L.A girl,  Elf , jessup এই ব্র্যান্ডগুলোর ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন। কম রেঞ্জের মধ্যে আমার এই কয়েকটি ব্র্যান্ডের ব্রাশ ভালো লাগে এবং ব্লেন্ডিং ও ভালো হয়। 

আর এই সবক’টি ব্র্যান্ডের ব্রাশ পেতে ভিজিট করুন carnesia.com এ। 

ব্যবহার করুন সঠিক ব্রাশ আর পেয়ে যান সুন্দর ফ্ল – লেস মেকাপ।

 

লেখকঃ তাঞ্জিলা কামাল ( প্রোডাক্ট এক্সপার্ট কারনেসিয়া )

তথ্য ও ছবিঃ গুগোল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *