bridal makeover tips

বিয়ে!! সবার জীবনের বিশেষ একটা দিন। ২টা মানুষের কত ভাবনা চিন্তা থাকে,যাদের নিয়ে এতো আয়োজন। সবাই চায় এই বিশেষ দিনটা তে নিজেকে একটু সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করতে। 

তবে সবচেয়ে বেশী চিন্তিত দেখা যায় কনেকে। নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ সবকিছুর মাঝে নিজেকে হাস্যোজ্জ্বল, প্রানবন্ত রাখা খুব বেশী সহজ না। আর ত্বকের যখন বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায় তখন চিন্তা টা আরো কয়েক গুন বেড়ে যায়। ধীরস্থির ও শান্ত অবস্থায় একজন কনেকে উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত ও আত্মবিশ্বাসী দেখায়। তাড়াহুড়া, অস্থিরতা বা মানসিক চাপের মধ্যে কখনোই তেমনটা দেখায় না।

তাই বিয়ের আগে সময় নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করার কোনো বিকল্প নেই। 

বলা হয়ে থাকে, সুস্থ ও সুন্দর ত্বক আমাদের মনকে প্রফুল্ল রাখতে অনেকটা সাহায্য করে। তাই বিয়ের আগের ১মাস পুরো টাই আপনার রূপচর্চায় সময় দিন।

কি কথা গুলো শুনে ভয় পাচ্ছেন?? চিন্তিত হয়ে পড়েছেন কিভাবে ১মাস নিজের সম্পূর্ণ যত্ন নিবেন কিংবা কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবেন?? 

চিন্তামুক্ত হতে হলে এই ব্লগটি পুরোটা পড়ে নিন এবং পয়েন্ট গুলে নোট করে নিন।

চলুন আগে জেনে নেওয়া যাক বিয়ের আগে ও পরে কনে ত্বকের কি কি সমস্যায় ভুগতে পারেন। এরপর আসছি সমাধানে। 

Jordana in Bangladesh

★★বিয়ের আগে ও পরে ত্বকের সমস্যা 

১) মেকাপ : বিয়ের দিন একটা ভারী মেকাপ নিতেই হয় নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপনের জন্য। এরপর ঐ মেকাপ নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে থাকতে হয়। যার ফলে পরদিন অনেক কনের মুখে পিম্পলের মত সমস্যা দেখা দেয়। আবার অনেক কনের বিয়ের দিন কিছু সময় পর মেকাপ সরে যাওয়া, কেকি দেখানোর মত সমস্যাতেও পড়তে হয়। যেটা ঐ মূহুর্তে খুবই বিরক্তিকর। এর প্রধান কারণ হলো ত্বককে মেকাপ উপযোগী করে না তোলা। 

২) চোখের নিচের কালো দাগ / ডার্ক সার্কেল : বিয়ের আগে কম বেশী সব কনে এবং বরের চোখের নিচের কালো দাগ পড়তে দেখা যায়। এর কারণ হলো, বিয়ের আগে সবার মাঝেই কিছু দুশ্চিন্তা কাজ করে যার কারণে পরিপূর্ণ ঘুম হয় না। আবার অনেক সময়  হবু বউ আর হবু বরের মধ্যে নিজেদের চেনা জানাতে সময় দিতে হয় এতেও রাত জাগতে হয়।

৩) সানট্যান, পিগমেন্টেশন : বিয়ে নিয়ে কনে এবং বর দুজনের ই বেশী সময় দিতে হয় বিয়ের কেনাকাটাতে। দীর্ঘক্ষণ বাহিরে ঘুরাঘুরি কারণে ত্বকে সানট্যান, পিগমেন্টেশন স্পষ্ট হয়ে যায়৷ 

৪)চুলের সমস্যা : অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে ত্বকের পাশাপাশি আমাদের চুলের ও বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়।  দীর্ঘসময় ধরে বাহিরের ঘুরাঘুরি কারণে চুলে ধূলোময়লা জমে চুল রুক্ষ করে চুল পড়ার সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। আর তাছাড়া বিয়ের দিন চুল সেট করতে যে পরিমান হিট আর সেটিং স্প্রে ব্যবহার করা হয় এতে চুলের উজ্জ্বলতা আরো হারিয়ে যায়। তাই চুলের যত্ন নেওয়াটা আবশ্যক হয়ে যায়। 

এবার আসুন জেনে নিই এসব সমস্যা দূর করতে কি কি করণীয়।

  

★★ বিয়ের আগে যেভাবে প্রস্তুত করবেন নিজেকে- 

বিয়ের আগে আপনার প্রতিটি বিষয়ে সমান ভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। রূপচর্চা আমাদের সৌন্দর্যের একটি অংশ মাত্র।  নিজেকে প্রানবন্ত রাখতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নিজেকে ফিট এন্ড ফাইন রাখা। নিজেকে ফিট এন্ড ফাইন রাখতে আমাদের প্রতিটি অর্গানের সুস্থতাও  অনেক বেশী প্রভাব ফেলে। তাই আপনার সুবিধার্তে কয়েকটি ধাপে ভাগ করে বলছি যেন খুব সহজেই আপনি আয়ত্তে আনতে পারেন। 

★শারিরীক এবং মানসিক প্রস্তুতি 

১) শারিরীক প্রস্তুতি : বিয়ের দিন শারীরিকভাবে প্রস্তুত থাকাটা খুব দরকার। ওজন অবশ্যই প্রয়োজন হলে কমাবেন, তবে সেটা করতে গিয়ে গ্যাস্ট্রিক বাধানো যাবে না। তাই খাওয়ার রুটিনটাও মাস খানেক আগে থেকেই ঠিক করে নেয়া প্রয়োজন। আর অন্য যেকোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে সেটাও ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে এক মাসে অনেকটাই সারিয়ে ফেলা সম্ভব।

২) জিম এবং ডায়েট : বিয়ের আগে যদি ওজন কমানোর থাকে, তাহলে এখনি শুরু না করলে কিন্তু খুব একটা ফল পাবেন না। তাই আপনার প্রয়োজন বুঝে জিম ইন্সট্রাক্টর-এর সাথে কথা বলে এক্সারসাইজ শুরু করুন, প্লাস ডায়েট চার্ট বানিয়ে, নিয়ম করে খাওয়া-দাওয়া করুন। ডায়েট চার্টে প্রচুর পানি, প্রোটিন, ফল এবং সবজি রাখবেন, কারণ ন্যাচারাল গ্লো কিন্তু ভেতর থেকেই আসে।

৩) মেডিটেশন : নিজেকে রিল্যাক্স রাখার একটি সহজ উপায় হলো মেডিটেশন। 

এই সময়ে এসে নার্ভাস হয়ে যাওয়া খুব স্বাভাবিক, তাই নিয়মিত মেডিটেশন করবেন। চাইলে ইয়োগা করতে পারেন। ঘুম থেকে উঠে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সময়টাকে একটা রুটিন-এ বেঁধে ফেলুন।

 

৪) পর্যাপ্ত ঘুম : শরীর এবং মন ২ টা ঠিক রাখতে ঘুমের তুলনা নেই। পর্যাপ্ত পরিমান ঘুম আপনার অনেক শারিরীক সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। কারণ আমরা যখন ঘুমিয়ে পড়ি তখনই আমাদের দেহের ক্ষতিপূরণ করতে কোষ সমূহ এক্টিভ হয়। তাই দৈনন্দিন মিনিমাম ৮ ঘন্টা ঘুমিয়ে নিতে পারেন। 

এবার আসুন জেনে নিই ত্বকের যত্ন কিভাবে করবেন।

★ত্বকের যত্ন 

১) ক্লিন্জার, টোনার, ময়েশ্চারাইজার : এই তিনটি কাজ আমরা কম বেশি সবাই প্রতিদিন করি। কিন্তু আপনি যদি কনে হোন এবং এই তিনটা কাজ না করে থাকেন তাহলে এটা করার অভ্যাস করুন এবং এটা আপনার জন্য আবশ্যক।  

আপনার ত্বকের উপযোগী প্রোডাক্টস সিলেক্ট করে বিয়ের ৩মাস পূর্বে থেকে এই স্কিন কেয়ার রুটিন শুরু     করুন। 

২) এক্সফোলিয়েটর / Exfoliator :  বেশী বাহিরে ধূলোময়লা তে থাকার কারণে আমাদের ত্বকে ময়লা জমে যায়,মৃত কোষ বেড়ে যায়। যেটা ত্বকে হোয়াইট হেডসের মতো ছোপ ছোপ হয়ে যায়। 

যার কারণে মেকাপ করার পর ছোপ ছোপ হয়ে থাকে। 

তাই একটি ভালো এক্সফলিয়েটর ব্যবহার করে ত্বকে মৃত কোষ বের করে আনুন।

প্রতি সপ্তাহে ১বার করুন আর মনে রাখতে হবে এটি বিয়ের ৩মাস পূর্বে থেকে শুরু করা উচিত। 

৩) মাস্ক : বিয়ের ৩মাস আগে থেকেই কয়েকটি ঘরোয়া মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন  এতে আপনার ত্বক ভেতর থেকে পরিষ্কার থাকবে। অথবা  facial mask for pimple , বিভিন্ন  skin care masks ব্যাবহার করতে পারেন। Freeman face masks মাস্ক অরিজিনাল গুলো ত্বকের জন্য খুবিই ভালো । 

বিয়ের দিন দীর্ঘক্ষণ মেকাপ রাখার কারণে পিম্পল হওয়া সমস্যা থেকেও মুক্তি পাবেন। 

আমাদের ঘরোয়া পদ্ধতিতে রূপচর্চার একটি সম্পূর্ণ  ব্লগ আছে। ওটা থেকে আপনার পছন্দের এবং ত্বকের উপযোগী মাস্ক ব্যবহার করা শুরু করে দিন। 

nior Bangladesh

৪) ফেসিয়াল : এটা যদিও বিয়ের প্রায় তিন মাস আগে থেকেই শুরু করা উচিত, তবে যদি না করে থাকেন তাহলে দেরি না করে আজই শুরু করে দিন। তবে চেষ্টা করবেন ভালো পার্লারে যেতে, যারা স্কিন টেস্ট করে ফেসিয়াল করে দেবে। বিয়ের আগের ম্যাক্সিমাম তিনবার করতে পারেন। তবে শেষের ফেসিয়াল  বিয়ের এক সপ্তাহ বা খুব বড় জোর ৪-৫ দিন আগে করাবেন। পাশাপাশি নিয়মিত যত্ন তো থাকছেই।

৫) সানস্ক্রিন ব্যবহার : বিয়ের আগে শপিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজে আমাদের বাহিরে যেতে হয়। এতে রোদের কড়া তাপে আমাদের সানট্যান পড়ে যায়। তাই খেয়াল রাখবেন বাহিরে যাওয়ার আগে 50+ spf যুক্ত ভালো কোনো সানস্ক্রিন ব্যবহার করার দিকে।আর সানট্যান দূর করার জন্য কিছু ঘরোয়া রূপচর্চা করে ফেলতে পারেন।

★ চুলের যত্ন 

১) ঘরোয়া পদ্ধতি : চুলে শ্যাম্পু করার আগে অবশ্যই হালকা কুসুম গরম তেল নিয়ে তা ম্যাসাজ করা আবশ্যক।  শ্যাম্পুর কারণে আমাদের চুলে রুক্ষতা সৃষ্টি হয় তেল ম্যাসাজ ঐ রুক্ষতার হাত থেকে আমাদের চুলকে রক্ষা করে। 

তেলে মেথি দিয়ে কিছুক্ষণ রোদে রেখে এরপর তা ম্যাসাজ করে নিন। চুলের আগা ফেটে গেলে একটু কাটিয়ে নিতে পারেন। 

শুষ্ক চুলের জন্য ডিমের কুসুম, টকদই ও লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করতে পারেন। 

তৈলাক্ত চুলের জন্য ডিমের সাদা অংশ ও লেবুর রস দিয়ে প্যাক তৈরি করা যায়। 

প্যাক লাগানোর পর ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। 

২) চুলের মাস্ক : চুলকে উজ্জ্বল এবং মসৃণ রাখতে মাস্কের তুলনা হয় না। আর সেটা যদি হয় ঘরোয়া পদ্ধতিতে তাহলে আপনার চুল নিয়ে চিন্তা বলতে গেলে শেষ। 

মাস্ক ব্যবহার করে কিভাবে চুলের যত্ন নিবেন তা নিয়ে আগেই আমাদের ব্লগ পাবলিশ করা হয়েছে। ওখান থেকে আপনার চুলের উপযোগী মাস্ক  ঘরে তৈরী করে ব্যবহার করা শুরু করুন বিয়ের ৩মাস আগে থেকেই। 

৩) হেয়ার স্পা : এবার আসি একটু পার্লারের দিকে। চুলকে হিটের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে  হেয়ার স্পার   জুড়ি নেই। ভালো কোনো পার্লারে গিয়ে বিয়ের ৭-১০ দিন আগে হেয়ার স্পা / হেয়ার ট্রিটমেন্ট করিয়ে নিতে পারেন। 

★ হাত ও পায়ের যত্ন 

রোদে যাওয়ার আগে হাত ও পায়ে সানস্ক্রিন ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করুন। গরম পানিতে শ্যাম্পু, শাওয়ার জেল বা ডেটল মিশিয়ে হাত-পা পরিষ্কার করতে পারেন। চালের গুঁড়া, দুধ, মধু, গাজর, জলপাই তেল, কাঁচা হলুদ ও শসার রস মিশিয়ে নিয়ে হাত ও পায়ে ব্যবহার করতে পারেন। বিয়ের এক-দেড় মাস আগে নখ বড় রাখতে শুরু করতে পারেন। তবে খুব বেশি বড় নখ না রাখাই ভালো। মাসে দুবার ম্যানিকিউর ও পেডিকিউর করানো ভালো। বিয়ের দুই দিন আগে পেডিকিউর ও ম্যানিকিউর করিয়ে নিন।

★বাহিরে কম যাওয়া :  আপনার বিয়ের শপিং, ব্লাউজ বানানো, কামিজ বানানো এই কাজ বিয়ের ১মাস আগে করে ফেলার চেষ্টা করুন। যাতে করে দর্জি জামা কাপড়ের কোনো সমস্যা করলে যেন ঠিক করে নেওয়া সময় থাকে। 

বিয়ের আগের ২য় সপ্তাহ থেকে বাহিরে যাওয়া বন্ধ করে দিন। এতে আপনার ত্বকে ব্রণ -একনি, পিগমেন্টেশন এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে। 

★★বিয়ের আগের ১ সপ্তাহে করণীয় 

১) ওয়াক্সিং : ওয়াক্সিং-টা এই সপ্তাহের শুরুতেই করিয়ে নেবেন।

২) গ্লো ফেসিয়াল:  ভালো কোন পার্লারে গিয়ে খুব সুদিং হাইড্রেটিং একটা ফেসিয়াল করাবেন।

৩)আইব্রো প্লাক:  আইব্রো প্লাক করবেন বিয়ের ঠিক দু’দিন আগে, যাতে কোন র‍্যাশ না থাকে।

৪) পর্যাপ্ত ঘুম : প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে কুসুম গরম তেল নিয়ে হাত এবং পায়ের তালুতে ম্যাসাজ করতে পারেন।  এতে আপনার পর্যাপ্ত ঘুম হবে এবং রিল্যাক্সিং এ সাহায্য করবে। 

★★বিয়ের আগের দিন করণীয় 

বলতে গেলে যত যা স্ট্রেস বিয়ের দিন হয়। দীর্ঘ সময় মেকাপ নিয়ে বসে থাকা, ভারী সাজ, ভারী ড্রেসআপ, নতুন পরিবেশে যাওয়া সব মিলিয়ে স্ট্রেসের শেষ নেই। তাই বিয়ের আগের দিন আপনাকে কয়েকটি কাজ অবশ্যই করতে হবে। 

১) ৮-১০ ঘন্টা ঘুমিয়ে নিবেন। 

২)প্রচুর পানি খাবেন।

৩) লিপ স্ক্রাব করে নিবেন। 

৪) ভালো একটা রিফ্রেশিং শাওয়ার নিবেন।  শাওয়ার নেওয়ার সময় কোনো সুগন্ধি মেশাতে পারেন / গোলাপ জল মেশাতে পারেন।  শাওয়ার জেল অবশ্যই ব্যবহার করবেন। 

★★বিয়ের দিন করণীয় 

বিয়ের দিন পার্লারে যাওয়ার আগে অবশ্যই মুখ ক্লিন্জিং, টোনার, ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে নিবেন। যাদের লিপ্স খুব ড্রাই তারা যদি লিপ স্ক্রাব করার প্রয়োজন মনে করেন তাহলে স্ক্রাব করে নিয়ে লিপ বাম ব্যবহার করে নিবেন। স্ক্রাব করার প্রয়োজন না হলে শুধু লিপ বাম ব্যবহার করুন। 

এতো গুলো ব্যাপার একসাথে মনে রাখা অনেক কষ্টের মনে হতে পারে আপনার কাছে। 

তাই সহজ সমাধান হলো বিয়ের ৩/২ মাস আগে প্রস্তুতির চার্ট তৈরী করে ফেলুন ঠিক বিয়ের দিন পর্যন্ত কি কি করবেন। কোন সময়ে পার্লারের কাজ সারবেন, কোন সময়ে শপিং এ যাবেন,  কখন ঘুমাবেন সবকিছু। এতে আপনার কাজ সহজ হবে এবং নিজেকে রিল্যাক্স লাগবে। আর আপনার বেস্ট ফেন্ডকে একাজে লাগিয়ে দিতে পারেন। সে আপনাকে সময় করে করে মনে করিয়ে দিবে কখন কি করবেন এসব ব্যাপারে। 

 

চিন্তার কোনো কারণ নেই৷ নতুনত্ব আমাদের সবার মাঝেই আসে। উচিত দুশ্চিন্তা না বাড়িয়ে কিভাবে সুন্দর সময়গুলোকে উপভোগ করবেন এটা নিয়ে ভাবা। 

শুভকামনা রইল হবু কনের নতুন জীবনের জন্য। সুন্দর হোক আপনার প্রতিটি দিন। 

হাস্যোজ্জ্বল এবং সুন্দর প্রানবন্ত থাকুন,  ভালো থাকুন, ভালো রাখুন সবাইকে। 

 

লেখকঃ ইফতিহা জান্নাত ( বিউটি আডভাইসার কারনেসিয়া )

তথ্য ও ছবিঃ গুগোল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *